fbpx
Why Ecommerce Website Need Zenmoy.

ই-কমার্স কী?
অনলাইনে পন্য অথবা সেবা বিক্রিকে ই-কমার্স বলে। অনলাইনের এই সব জিনিসপত্র বিক্রির জন্য নানা জন নানা ধরনের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন। কেউ ফেসবুকে, কেউ ইউটিউবে কেউ আবার নানা ধরনের ক্লাসিফাইড সাইট যেমন বিক্রয় ডটকম, ক্লিক বিডি, বিডি স্টল ইত্যাদির সাহায্য নেন। তবে বুদ্ধিমানরা নিজের ওয়েবসাইট দিয়ে ব্যাবসা করেন। নিজের ওয়েবসাইট ছাড়া ব্যাবসা করা অনেকটা রাস্তার পাশে বসে হকারি করার মত। যেকোনো সময় যেকেউ উচ্ছেদ করে দিতে পারে। একটি সিঙ্গেল ভেন্ডর ই-কমার্স ওয়েবসাইটের উদাহরণ।

Sakil Gadget BD Home Page
একটি ই কমার্স ওয়েবসাইটের উদাহরণ।

ওয়েব সাইট জিনিসটা আসলে কী?
ওয়েব সাইট হচ্ছে নিজের ভার্চুয়াল সম্পত্তি ।
একটা ওয়েবসাইটের জন্য তিনটি জিনিস প্রয়োজন।
১. ডোমেইন
২. হোস্টিং
৩.ওয়েব ডিজাইন

ডোমেইন কী?
যেকোনো বিজনেস শুরু করার আগে যেমন নিজের নামে লাইসেন্স ইসু করতে হয়, ঠিক তেমনি নিজের ওয়েবসাইট খুলতে গেলে শুরুতেই নিজের বিজনেসের অনলাইন ঠিকানা কী হবে তা রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়। প্রতি এক বছর পর পর তা নবায়ন করতে হয়।

হোস্টিং কী?
নাম তো রেজিষ্ট্রেশন করলেন।। তো এবার অফিস বা দোকান ভাড়া নিতে হবে না? অবাক হলেন? অনলাইনে আপনার ওয়েবসাইটটির তথ্য বা ডাটা সমূহ রাখার জন্য একটা সারভার বা হোস্টিং ভাড়া নিতে হয়।

ওয়েবসাইট ডিজাইন কী??
ট্রেডিশনাল বিজনেসে আপনাকে যেমন দোকান বা অফিস সাজাতে হয় ঠিক তেমনি অনলাইনের ডোমেইন ও হোস্টিং নেওয়ার পর ওয়েবসাইটের ডিজাইনের প্রয়োজন হয়। এই ডিজাইনের কাজ করানোর জন্য আপনি জেনময়ের মতো প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিতে পারেন।

ই-কমার্স ব্যবসায় একটি ওয়েবসাইট থাকার সুবিধা কী কী?

Social Media Zenmoy

অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভরশীলতা এড়িয়ে চলা যায়ঃ
ধরুন আপনি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিজনেস করছেন কিন্তু হটাৎ কোন কারনে ফেসবুক অথরিটি আপনার পেজ বন্ধ করে দিল অথবা দেশের সরকার কোন কারনে ফেসবুকই অফ করে দিল তখন আপনার এতো দিনের সাজানো বাগান তছনছ হয়ে যাবে। কারন ফেসবুক শুধুই একটা সোশ্যাল মিডিয়া। ওটার মালিক তো আপনি না। ফেসবুক কয়দিন পরপর তাদের এলগরিদম পরিবর্তন করে। ফলে তাদের কাছে পেজ মালিকরা সবসময় ডিপেন্ডেন্ট থাকে। আপনার বিজনেস অনেকটা এই এলগরিদমের ইচ্ছে অনুযায়ী হবে।

আপনি যে ব্যবসায় সিরিয়াস তা প্রমাণ করেঃ
যে কেউ ফেসবুকে একটা পেজ খুলে ফেলতে পারে। কারণ এটা সম্পূর্ণ ফ্রী। কিন্তু চাইলেই আপনি একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট ফ্রীতে করতে পারবেন না। কারন আপনাকে টাকা খরচ করে অন্তত ডোমেইন কিনতেই হবে।
ফলে একটি ওয়েবসাইট করতে পারলে আপনি যে ব্যাবসায় সত্যিই সিরিয়াস তা প্রমাণ হবে।

সার্চ ইঞ্জিন থেকে কাস্টমার পাওয়া যায়ঃ
সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্রী মেথডে এখন তেমন সেল পাওয়া যায় না। তাই সেল পাওয়ার জন্যে বিজ্ঞাপন দিতে হয়। আর বিজ্ঞাপন মানেই খরচ। ফলে আপনার বিজনেস হয়ে পড়ে অনেকটা বিজ্ঞাপন সরবসস। যতক্ষণ টাকা ঢালতে পারবেন ততক্ষণ সেল পাবেন, টাকা নাই সেলও নাই। সত্যিকারের বিজনেস থেকে যে সুফল পাওয়া যায় তা এই পদ্ধতিতে অনেকটাই কঠিন। আর তাই ইভারগ্রীন বা সব সময় সেল পেতে গেলে আপনার ন্যাচারাল বা অরগানিক ট্রাফিক বা ভিজিটর আনতে হবে।
আর নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সারচ ইঞ্জিন থেকে প্রচুর এবং আনলিমিটেড ভিজিটর পাওয়া সম্ভব, ফলে সেল হয় অনেক।
একটি তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে ৯৩% কেনাকাটা সার্চ ইঞ্জিন থেকে পাওয়া ওয়েবসাইট থেকে শুরু হয়। ওয়েবসাইট না থাকা মানে আপনি

স্বাধীন ভাবে ব্যাবসা করতে পারা যায়:
নিজের ওয়েবসাইট মানে আপনি নিজেই এর অথরিটি। আপনিই সরবেসরবা। নিজের ইচ্ছেমতো ফিচার, নিয়ন্ত্রণ, অফার, প্যাকেজ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

Trust on Zenmoy

ট্রাস্ট বাড়েঃ একটি কোয়ালিটি ওয়েবসাইট থাকলে আপনার কাস্টমারদের আপনার বিজনেসের উপর ট্রাস্ট বৃদ্ধি পায়। কারন একটা সাধারন ফেসবুক পেজের থেকেও একটা ভালো মানের ওয়েবসাইটে লেনদেন করা অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য।

পজিটিভ রিটার্ন অন ইনভেসমেন্ট পাওয়াঃ
আপনি সাধারন সোশ্যাল মিডিয়ায় যত ইনভেস্টমেন্ট করবেন তার থেকেও ওয়েবসাইটে ইনভেস্ট করলে আপনি বেশি লাভবান হবেন। কারন ওয়েবসাইট আপনার নিজের ব্র্যান্ড । ভবিষ্যৎ সম্পদ। ফলে শুরুর দিকে আপনার কিছু খরচ হলেও একবার আপনার সাইট দাঁড়িয়ে গেলে আপনাকে আর এই সাইটে তেমন বেশি ইনভেস্টমেন্ট করতে হবে না।

সময় বাচেঃ একটা ওয়েবসাইটে সকল বিক্রয়যোগ্য পণ্যের তালিকা ও অন্যান্য ফিচারসমূহ বিস্তারিত বিবরন সহ দেওয়া থাকে ফলে কাস্টমার খুব সহজেই এসব তথ্য নিজে থেকেই জেনে নিতে পারে । আপনাকে বার বার জিজ্ঞাসা করলে আপনার সময় নস্ট হতো। একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পণ্যের বিবরণের উদাহরণ।

সেল্ফ কাস্টমার সারভিসঃ ওয়েবসাইটে নিজের থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় যে কোন পণ্যটি সবচেয়ে ভালো , এড টু কার্টের মাধ্যমে একের অধিক পণ্য কেনা যায়। কারো সাহায্য ছাড়া স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পেমেন্ট পরিশোধ করা যায় যা নিজের ওয়েব সাইট ছাড়া সম্ভব না।

গ্রোথ অপরচুনিটি থাকেঃ
নিজের ছোট্ট একটা ওয়েবসাইট থেকে সেটাকে অনেক বড় করা সম্ভব। এর মধ্যে আপনি আনলিমিটেড পণ্য যুক্ত করে এবং হোস্টিং এর ব্যান্ড উইথ বাড়ানোর মাধ্যমে আপনি এর গ্রোথ বাড়াতে পারবেন।

ব্রান্ড ভ্যালু বাড়েঃ
একটা ভালোমানের ওয়েবসাইট ছাড়া ইকমার্স সাইটের ব্র্যান্ড ভ্যালুর চিন্তাও করা যায় না। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এর ব্যাপক প্রচার ও প্রসার সম্ভব।

রিভিউ জানা যায়ঃCustomer Reviews
ওয়েবসাইটের প্রতিটি পণ্যের পেজে ওই পণ্যের ব্যাপারে যারা ইতিমধ্যেই পণ্যটি ক্রয় করে ব্যবহার করেছেন তাদের মতামত বা রিভিউ জানা সম্ভব । যা ওয়েবসাইট ছাড়া সম্ভব না।

নিজস্ব একটা কাস্টমার শ্রেনী তৈরি করা যায়ঃ
বিভিন্ন রকম মার্কেটিং টুলস যেমন ফেসবুক পিক্সেল, গুগল এডস, গুগল ট্যাগ ম্যানেজার ইত্যাদি নানারকম টুলসের সাহায্যে একটি কমপ্যাক্ট মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা সম্ভব যা ওয়েবসাইট ছাড়া সম্ভব না। এই ধরনের ক্যাম্পেইন পরিচালনার মাধ্যমে আপনি আপনার একটা নিজস্ব কাস্টমার বেইজ তৈরি করতে পারবেন। যারা আপনার ওয়েবসাইট থেকে রেগুলার কেনাকাটা করবেন।

ওভারসিজ অপরচুনিটিঃ
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি আপনার দেশের বাইরেও আপনার বিজনেসকে স্কেলআউট করতে পারবেন।

এছাড়াও ওয়েবসাইটের সাহায্যে আপনি আরো নানা ধরনের জানা অজানা সুবিধাকে এক্সপ্লোর করতে পারবেন।

আপনার ওয়েবসাইট বিষয়ে সেবার প্রয়োজন হলে আমাদের কাছ থেকে সেবা নিতে পারেন। জেনময় এই ধরনের সার্ভিস অনেক কম খরচে প্রদান করে থাকে।

Leave a Reply

Back
কল করুন
আমাকে কল করুন
মেসেঞ্জার
লাইভ চ্যাট